Saturday, February 27, 2016

AkashChumban

আকাশচুম্বন





বই



বাংলাদেশ হাইকমিশন কে দিচ্ছি বইটা

বন্ধু ও কবি প্রবালদা

বাংলাদেশের কবি মেঘ অদিতি নিয়েছেন বইটি, সাথে উমাপদ কর

বাড়িতে কবি সম্প্রদায়ের সাথে ভাগ করছি কবিতা-মুহূর্ত








Saturday, February 20, 2016

আলোচনা



কবিতা আলোচনা 


দীপংকর দত্ত
অগ্রজ কবি যার হাত ধরে বইমেলা পৌছালাম




আকাশচুম্বনের প্রথম পাঠ প্রতিক্রিয়া: দীপঙ্কর দত্ত (৮০ দশকের কবি ও 'শূন্যকাল' পত্রিকার সম্পাদক)

"জেড পাথরে আটকে আছি নগর প্রহরী, আমারও একটা ভ্রমণ আছে নিজস্ব"- বস্তুত এই উচ্চারণের মধ্যেই নিহিত রয়েছে কবি পীযূষকান্তি বিশ্বাসের সদ্য প্রকাশিত দ্বিতীয় বই আকাশচুম্বন-এর তাবৎ দ্বান্দ্বিক ভ্রমণময় কাব্যদর্শনের বীজ। দ্বন্দ্বই সমস্ত গতি ও জীবনের উৎস কবি জানেন, এমনকি জীবাশ্মে স্ট্যাসিস পর্যায়েও এক প্রস্তরীভূত স্পন্দন অনুভব করেন তিনি।

"এইখানে তুমি ইলেকট্রনগুলো রাখো ফ্যারাডে

যেখানে এল ই ডি থেকে চুঁইয়ে পড়ে জ্যোৎস্না
বিশ্ববাজার থেকে সূর্যরশ্মিগুলি
সিল্করুটের দিকে চলে যায়"।
"খনিজের অবস্থান থেকে জীবন্ত ওয়ালপেপারে উঠে এসে
প্রিয়তমার থুথু থেকে চুমুগুলো আলাদা হবে একদিন
আমার শুক্রাশয় থেকে নতুন অবতার ডাউনলোড হবে
তাই
ঠোঁটের কাছাকাছি তোমার উপস্থিতিকে
কৃষ্ণ-গহ্বর থেকে উঠে আসা সময়ের পুনর্জন্মের কথা মনে পড়ায়"
"দুই পা বিছানায় এলিয়ে চোখ নামালো রাস্তা আয়নায় উঁকিবুকি পিলীয়ন রাইডার"
সম্ভবত এই দ্বন্দ্বচেতনার উন্মেষ তখনি হয় যখন কবি কৈশোরে তাঁর বহিরগাছির ভিটেভূঁই ছেড়ে পাড়ি দিয়ে দৈবের বশে এক কংক্রিটের জঙ্গলে এসে তাঁর প্রবাস জীবন শুরু করেন এবং বায়ু সেনায় যোগ দেন।
"জানি, এপথও যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে চলে যাবে একদিন"।
"এবার বাস্তুভিটে, বাপঠাকুরদার জমি বিক্রয় করে দেওয়া যাক
ভেঙে ফেলা যাক সুরক্ষাবলয়
একই অভিমুখের গতিবেগে নিজেদের ভরবেগ মেপে নেওয়া যাক
সেন্ট্রিফিউগাল ফোর্স থেকে
বেরিয়ে সোজা বাজারের দিকে হেঁটে যাওয়া যাক" ।
আত্মজীবনের দিনানুদৈনিকের দ্রোহে লিপ্ত কবির সমাজ সম্পৃক্ততার দৃষ্টান্তও অসাধারণ।
"দেয়ালের একেকটা ইট একেকটা ঈশ্বর
ঈশ্বরের প্রত্যেকটা প্রহরী এক একটা মৌ-লোভী
এইভাবে প্রত্যেকটা কারাগার একটা ধর্ম
ওরা
কয়েকটা দেয়ালে আমাদের ঘিরে
একটি বৃত্ত এঁকে
আমাদেরকে সেট থিওরি পড়ে শোনাচ্ছে
আর বৃত্তটা বার বার দ্বিখন্ডিত হয়ে যাচ্ছে"।
ডায়াসপোরিক এই কবির বিজ্ঞানমনষ্কতা ও কবিতায় তার সদ্ব্যবহার স্তম্ভিত করে। কংক্রিট জঙ্গলের মহীরূহগুলির আকাশচুম্বন যত প্রগাঢ় হতে থাকে আন্তঃমানুষ সম্পর্ক ততই হয়ে পরে অন্তঃসারশূন্য। জীবিকার উদ্দেশ্যে বাজারে ও রাজপথে ভ্রাম্যমান কবি লেখেন "রুটির নিরাপত্তা হাতের মুঠো থেকে আলগা হয়ে গেছে আরও দক্ষিণে।" এক বছরের ব্যবধানে দু-দুটি কাব্যসংগ্রহ কবিকে অনেকটাই পাঠক সন্নিধানে এনেছে কিন্তু অহমিকার কোনও অভিব্যক্তি কোথাও নেই বরং এই স্বগতকথন আমাদের আশ্চর্য করে "বীজের পরিপক্কতার জন্য আমাদের হেঁটে যেতে হবে অনেক বাজার"। অবশ্যপাঠ্য এই গ্রন্থটির সার্বিক প্রচার কামনা করি। -- দীপঙ্কর দত্ত







 একরামুল চৌধুরী
বন্ধু


YESTERDAY I HAD GONE TO KOLKATA BOOK FAIR. I COLLECTED YOUR BOOK OF POEMS. LEFT THE MELA-GROUND AT AROUND 6;45 PM. TOOK SEALDAH-BONGAON TRAIN OF 8;05 PM. CONTINUED READING YOUR POEMS. WONDERFUL ! GOT MESMERIZED. READ ALL THE POEMS AT A STRETCH. THEY DID NOT PERMIT MY EYES, MY SENSES TO DETRACT ME TO OTHER DIRECTIONS. I WAS STUPEFIED, SPELLBOUND, ASTONISHED. ALL MY AIR-FORCE DAYS SEEMED TO ME AN ENIGMATIC BLEND OF NOSTALGIA, DREAMS, PANGS, PASSIONS, SACRIFICES AND ULTIMATELY A JOB OF ACCOMPLISHMENT, FELLOW-FEELING AND BLISS. YOUR POEMS ARE ALL ABOUT WONDERFUL BLEND OF PERSONAL FEELINGS WITH A STUPENDOUS TOUCH OF COMMITMENT, MELANCHOLY AND LOVE OF LIFE AND STRUGGLE FOR UNIVERSAL EXISTENCE.------------- THE WORDS CHOSEN ARE WONDERFUL MIX OF NATURAL SCIENCE, LITERATURE, WORLD OF COMPUTING AND IT AND ENIGMA OF CHEMISTRY AND BIOLOGY. IT'S WONDERFUL. EXPECTING MANY MORE BOOKS OF POEMS FROM YOU PIJUSHDA.


















উমাপদ কর
 শ্রদ্ধেয় কবি ও সাহিত্যিক






আকাশচুম্বন ।। পীযূষকান্তি বিশ্বাস ।। (অভিযান পাব্লিশার্স)


অনেক সময় বেশ কিছু বলার কথা জমে যায়। জানানোর অভিলাষও জমে। যেখানে জমে, সেখানে আলো পড়ে। প্রতিফলিত হতে চায়। সঙ্গে তাপের বিকিরণ ঘটে। জল চুঁইয়ে নামে। বাতাস শুধুই দম নেওয়া আর ছাড়ার মধ্যে আটকে না থেকে কিছুটা এলোমেলো বয়ে যায়। কথা যেমন সাজে গোজে, জানানোয় পেয়ে যায় বিশেষ মাত্রা। এখান থেকেই শুরু হতে পারে কবিতা যাত্রা। একটি সংবেদনশীল আর পরিশীলিত মনন তার পাহাড়প্রমান ভারকে ফিলটার করে করে নিগেট করে। আর দমকে বাঁধ ভেঙে না ফেলে আস্তে আস্তে সিঞ্চন শুরু করে। কবিতার বহু স্বত্তার মধ্যে সেচের কাজটি তার বৈশিষ্ট্য আর দূরদর্শীতাকে দেখাতে থাকে। পীযূষের জমে যাওয়ার অনেক কিছুই আমার জানা ছিল না। আবার জানাগুলো তার চরিত্র ও চিরাচরিত রূপ বদলে আমাকে নতুন করে জানালো। কথা আর কথার কথা থাকল না। সে যখন জমানো থেকে এক আঁজলা তোলে—‘হাড় হিমকরা ডিলিটেড ফাইলগুলো/ রিসাইকেল বিনে পড়ে আছে।’ আমি তখন অজান্তেই নিজের ল্যাপটপের রিসাইকেল বিনটা একবার দেখে নিতে চাই। অনুভব করার চেষ্টা করি তাপমাত্রার বিষয়টা। ‘একটা দেহ রেখে/ অন্ধকার ছেড়ে যাচ্ছি’। কোথায় যে উড়ে যাই! এত হালকা বোধ হয়। যদিও অন্ধকারের মায়া ছাড়ার প্যাথোজ তখনও আমাকে জড়িয়ে রাখে। ‘ঘরে ফিরে গেছে সমস্ত হলুদগুলো/ সাঁঝবেলাও’। আমি সন্ধে খুঁজতে থাকি। তার রঙ আর ঘরে ফেরার সঙ্গে নিজের ফেরার তুলনায় মাতি। খুব বেশি দিন লিখছে না পীযূষ। তবু তার রোপওয়েতে দেখতে দেখতে চলার মজাই আলাদা। অনেক কিছু দেখায় যেমন, একেকটা ভঙ্গীতে জানায়। আমার আগ্রহ জারি রাখা অবধারিত হয়ে পড়ে।


এই বই-এর একটি কবিতার অংশ—


ডিজিটাল


ডিজিট যোগ করে করে ডিজিটাল হচ্ছি

ডিজিটের পরে ডিজিট যোগ করে মুদ্রাস্ফীতি

মেধা পুড়িয়ে সমগ্র পরিবার খাচ্ছি

কপাল ঝরানো নুন


ভাইয়ের হাতে স্যামসুং,

বোনের বাড়ি আই-ওয়ে পার

শেয়ারে বিয়োগ হচ্ছে কোকোকোলা...

মায়ের চুড়িদার পরে মঞ্চ থেকে ঝাঁপ দিচ্ছে

আমাদের ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট বাপ





@

Wednesday, February 10, 2016

হাইওয়ে



হাইওয়ে

যেভাবে একের পর একটা মাইলস্টোন আসে
গতিবেগকে পিছনে ফেলে আগে বেড়ে যায় হাইওয়ে ,
প্রত্যেকটি পথ তাই আরো পঞ্চাশটি অন্ধকারের গন্তব্যের রকমফের
প্রত্যেকটি অন্ধকারকে আরো ঘন করে তোলে
এক একটি জঙ্গল

হে প্রভূ আমার ঘুম আসে
পাছে ঘুমাবার আগে
আরেকটি ধাবমান গতি আমার পেছনে প্রবলভাবে অনুভূত হয়
চাকাগুলি ঘুরে আসে নিজের বুকের উপর
আমাকে ছুটে চলতে হয় ।


বিভিন্ন গন্তব্যের দিকে
বেঁকে আসা গ্লসি ব্লারড্ ছবিগুলি বিপরীত
রাইট অ্যাঙ্গেলে ক্রমাগত সরে যায়

কথা দেবার আগে,
আমি তাই আরো একবার মেপে নিই যাত্রাপথের দূরত্ব
প্রতিজ্ঞাগুলি লক্ষ্য করে ছুটিয়ে দিই দৃষ্টি
আরো দূরে সরে যায় সবুজের রেখা,
জঙ্গলগুলি আরো গভীর হয়ে আসে


হাইওয়েকে দাঁড় করিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করি
ঠিক কতটা গভীর ঘুম পেলে
এখানেই থেমে যাওয়া যায় ।

ঘুম থেকে গন্তব্য তখনো অনেক দূর
কিংবা ঘুমটাই যখন কোন গন্তব্য ছিলো না
অথবা কোন দেশরেখা
শুধু হাঁটতে হবে বলে আবিষ্কার হয়েছিলো এই পথ
কিংবা আমাদের পথ করে নিতে হয়েছিলো গাছপালা কেটে
নিশ্চুপ ঘুমের অজুহাতে


যেহেতু পিছনে পড়ে যেতে হয় ,
ক্রমাগত মুখের উপর উঠে আসে নতুন জনপদ
আমার ভিটে বাড়িকে দেওয়া অঙ্গীকারগুলি,
খাদ্যের তাড়না এড়িয়ে এগিয়ে যায় মাইল ফলক


ঝড় তুলে ঝাঁ করে বেরিয়ে যায় যেসব মারুতি, হুন্ডাই
তারা আর পেছন ফিরে দেখেনা বোধহয়...





Highway




Like the way milestones come one after the other
The Highway surpasses the speed
Each way is thus a variation of several dark destinations
Making the darkness denser each a jungle
God, I feel sleepy

Lest another speedy movement pushes me from behind
Before I retire
The wheels on my chest
Compels me to run constantly

Towards the varied destinations
Diverging glossy blurred images
Shift at right angles in a stream of continuity

Before I commit I compute the path
The woods and the green horizon gets denser and denser
I stop the Highway to ask
How dense should be the desire to sleep
So as to stop

Destination is yet too far before the state of sleep
Neither sleep was any destination
Or even a Border
The path was discovered only so as to walk
Or, maybe we made our pathway clearing the woods
Silent sleep was just a pretension

With whirling storm those high speed Honda, Suzuki pass away
They never look back perhaps!


















কাপাস

কাপাস //পীযূষকান্তি বিশ্বাস

তার চোখে নেমে আসা
সবুজ গা ঘেসে ডানা মেলে তার কাপাস হতে চাওয়া
গুঁটি থেকে বেরিয়ে ফুটি ফুটি
মেঘের দলে মিশে যাওয়া
এক শহর থেকে উড়ান দিয়ে
কোন ম্যাঞ্চেস্টার
এক শিল্প থেকে আর এক শিল্পে
যার আধুনিক অবস্থানে 
জানি আমি এক সুতো হয়ে যাই

স্টার্চে কোন যাদু ছিলো হয়তো
মাড় থেকে মল অব্দি যে রিয়েলিজম
ওরা আমাকে দিয়েছিলো এক বৃষ্টি ভেজা রাত
এক ময়ুরমুখী পালংকে
অনেক রজনীগন্ধার সাথে
রিনির কোমল ত্বকের আপদমস্তক ম ম গন্ধ

মাড়গুলো ন্যাতিয়ে পড়ে আছে আজ
ধুসর হয়ে গেছে কস্টিক-সোডার হাসি
ভাঁজ ভেঙে বেডশীটে
লাইন বাই লাইন
পরিত্যক্ত পড়ে আছে দেখো


 একাকী বিছানা  


Cotton

Descending down to eyes
Or gliding with green wings at the back
Wishing to be young cotton 
Just after blossoming from boll

Mingling with cloud, 
Flying from one city to another
To a Manchester
From one industry to another art
Subject to the modernity, 
I became a yarn ! 

There was a magic in starch 
From laundry to mall
They gave me a wet rainy night
In a bedstead of english wood
With a bunch of tuberose
The sweet fragrance of 
Delicate skin of Rinee

The starch has lost the charm now
It greyed out smiling teeth of soda
The folds are broken in bed sheet
Line by line
Look!  It is lying abandoned 

Bed alone

স্পীড ব্রেকার

স্পীড ব্রেকার

এমনিতে হেঁটে যাওয়া সহজ সরল
হাঁটতে হাঁটতে বাঁক নেয় যাত্রা
গতির কথা প্রাণের কাছে স্তূপকারে জমে থাকে
স্বচ্ছ ভারতের অবস্থান ।

যাওয়া যায়, যে কোন দিকেই যাওয়া যায়
শুধুই যাওয়া,
বোধের তারতম্য থেকে তুলে নিলে অভিধান
কোন গন্তব্য ফিরিয়ে দেয়না কোন পথিককে
আজ আর

এই ভাবেই হেঁটে যাওয়া,
একই ভাবে দাবিয়ে রাখা আত্ম-বিশ্বাস
চারিদিকে কোন ঢাক নেই
কোন মাইক বুঝিও আর অবশিষ্ট নেই

যাত্রাপথের কাছে আমার এই একমাত্র প্রার্থনা-
হে কুলনারীগণ ,
এহেন অনাবৃত পিঠের ভাঁজে ব্লাউজ কে আর রক্তাক্ত কোর না
আমার পায়ের নিচে মাটি সরে যায়

তারপর , অনেক হেঁটে পরিশ্রমের পর
ঘামে মুছে নোংরা হয়ে যাওয়া ব্লটিং পেপার
ঝড়ের বেগে ধেয়ে যাওয়া বাইকের কাছে তার আত্মসমর্পণ

নির্ভেজাল যে কোনদিকেই একই বেগে ছুটে যাওয়া যায়
খাটো কিংবা লম্বা ড্রাইভ,
রুটিন কিংবা রোমান্টিক
পিলিয়ন রাইডার

স্পীডব্রেকারগুলি দেখে হিংসে হয়

আমি হেঁটে যাই, দিকবিদিক
ফুটপথের পাশে পাশে ,
পায়ে পায় ।


তান্দুরী


তান্দুরী

পানের থেকে চুন খসে গেলে
দেওয়াল বেরিয়ে পড়ে ,
ঘর বে ঘর
যে ভাবে বেআব্রু ডাক পাড়ে ছাদ,
দরজাগুলো যেভাবে পা আটকে ধরে

জানলার কাঁচগুলি সবুজ রঙে ভরে যাচ্ছে
এভাবে না ডাকা ভালো, টিপ টিপ বরষা পানি
কতবার বলেছি হলুদ শাড়িটায় বার বার আপত্তি
জঙ্গলে আগুন ধরে যায়

তবু এই বুনো গাছটা দেখো, বিলকুল অ্যানালগ
বৃষ্টির গন্ধ তার রুক্ষ কপোল জুড়ে
তার হাতে ময়লা হয়ে যাচ্ছে মহাভারত
ক্ষীন হয়ে আসছে তার ডাক
এই রক্তে, মাংসে, মাইক্রো-ওয়েভে
একটু একটু করে তান্দুরী হয়ে যাচ্ছে সাদা কালো মাটি -

এভাবেই ভৌগলিক,
এক অবস্থান থেকে পূর্ণ জনপদে মিশে যায় পা
মানচিত্র ছেড়ে পেরিয়ে যায় এই শহর
বুকের গন্ধ থেকে অনেক দূরে খাদ্যের ভূমিকায়
কুহরা কাটিয়ে


বাদশাহী দিল্লি আপন চুল্লিতে জ্বলে ওঠে ।

অ্যালয়

অ্যালয়

অনুপাত থেকে পাতা টেনে নিলে
মোচার উজ্জল বাদামী পাপড়িতে
আত্মারা অমাবস্যার রাতে স্তন্যপায়ী হয়ে ওঠে
সঠিক মাত্রা থেকে এক দুটি ভুল
পুনঃ পুনঃ
সঠিকের সংজ্ঞা পালটে দিতে থাকে ।

যে কোন অবস্থায় ধাতুর অবস্থান
শুদ্ধতার কারনে যে কোন ডি-এন-এ প্রিন্ট নিয়ে নেয়
একটি গুণিতক নিদর্শন থেকে
বিভাজিত হতে থাকে ডিম ।

পশ্চিম থেকে পূবে
ঘর থেকে হাসপাতাল
ঘন্টা ধ্বনি শোনার জন্য পিতলের কাছে আসতে হয়
যেখানে সঞ্চিত রয়েছে খাঁটী কাচ্চি তামা
তোমরা আমার সবচেয়ে প্রিয়তমাকে


আর সংকর বোলো না ।