Thursday, January 8, 2015

জিনিসের দাম

আমি যে জিনিস টা খুজছি, পাচ্ছি না...আমার দরকার , কত টা দরকার, আমার সামর্থ আছে ই সেটা পাওয়ার...
যত দামই হোক, কিনে নেব ...
এভাবেই এর দাম বাড়ে ...সব চেয়ে দামী হয়... পেয়ে গেলে, সব চাইতে প্রিয় হয়...



Monday, January 5, 2015

দিল্লি হাট

দিল্লি হাট

হাটে বেচাকেনার পাশে পুতুলের ভীড়
লাল সাদা কণকচুড়ির ঝনঝনানির শব্দ
কিছু অচেনা হাটুরের হাতে পুতুল হয়ে যাচ্ছে হাট
কেউ কেউ ভোগ্য বলে গিলে নিচ্ছে বাজারের হাঁক,
কেউ কেউ পণ্য বলে মিলিয়ে যাচ্ছে গলা
পুতুলদের দামদরের উপরনীচ পাতার পাতা এই সাহজানাবাদ
কবে যে রাজধানি হয়ে ওঠে
ঘৌড়সওয়ারের ধুলোয় ঢাকা এই লাস্যময়ী পৃথিবীর
আর এক নাম দিল্লি হাট

যারা  বিক্রি করতে এসেছিলো হাতেগড়া খিলোনা,
যারা কিনে নিয়ে গেলো লেহেঙ্গা চুন্নি
রুহ-আফজায়ের সাথে চাইনীজ আতরের গন্ধে দাঁড়িয়ে
অই যে কৃষ্ণকায় অশরীরী নিম গাছ
ভোদকার সাথে বিসলারি মিশিয়ে বসে আছে
বটাটা বড়ার পাদদেশে মুখগুঁজে কামড়ের অপেক্ষা করে
বসে আছে তার শিকড়
দীপংকরের দিকে মুখ করে


হাটের ফোকাসে আলোকিত যখন বিক্রেতাদের মুখ
পণ্যের আলোকে হাত উঁচিয়ে তুলে ধরে বাচিক শিল্পীর গলা
জনতার ভীড় থেকে আলাদা হয়ে জাতীয় কবির কলম
ওই মেয়েটির দিকে
কিভাবে ওরা  শব্দের ভীড় কে অর্থবহ করে তোলে,
কিভাবে ওরা শব্দ পুড়িয়ে তোলে পাক্কা ঝামা ইট,
ঘাড়ের উপরে ঘাড় মিশিয়ে
চাঁদাতুলে বইখাতার বাজার চাপিয়ে বইমেলা করে
খোকন জানেনা বলে বিষবাগীচায় ফুল ফোটেনি
মানুষের উপর চাপিয়ে নেয় শিল্পের আটায়ার আর
আন্ত-প্রজাতি সংগ্রামে
খেঁটে খাওয়া মানুষেরা পিরামিডের ভিত গড়ে তোলে
আর বুদবুদের উপর দাঁড়িয়ে তুমি আমি বিশাখা
বিজলী গ্রীলের ধোয়া ফুঁকে আকবরের জমি সংস্করন নিয়ে
দুপাতা ইতিহাস লিখে ফেলি ।


দোকানীরা আসলে দিন আনে না আচ্ছে বা বুরা,
আর প্রতিটা রাত আর একটি রাত
প্রাংগনে ঝাট দেবার আগে দূরে দূরে জ্বলে ওঠে যে সব স্ট্রীট লাইট
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি আকাশের দিকে
তাকিয়ে থাকে আরেকটি ভোরের,
দিনগুলি আসলে নাকি হলুদ হয়ে আসে
পাকা ইটের উপর যেভাবে উঠে আসে বহুজাগতিক বিজ্ঞাপন
বিকেলের কাঁধে চড়ে সোনামনি চুড়ি কিনতে আসে
মনে হয় পড়ন্ত এই
বিসলারী জলের ভিতর
হেসে ওঠে খিলখিলিয়ে ওঠা আলকোহল ভাবে
এই পোদ পাকা কবিতার  আমিই হবো  শ্রেষ্ট আবিষ্কার ...





টুকরো মুহুর্ত

একটা কথার মালা, কয়েকটা সুতোর গুণিতক
কখনো আধফোটা আলোর থেকে উল ছিনিয়ে নিয়ে
শীতের শোয়েটার

আর একটা চাদরে ঢুকে বেশ তো জেগে আছি পর্দায়
দেওয়ালে মাল্টিপ্লেক্স
গুনভাগ করে চলেছি অনেক রশ্মি...

একটা দেহ রেখে
অন্ধকার ছেড়ে যাচ্ছি,

অচানক বরফ হয়ে যাচ্ছি


-------------


বুকে ঘন ভারী অক্সিজেন,
যুদ্ধক্ষেত্র ফেরা কার্বন
দিন শেষে ফিরে আসে সন্ধ্যার বাতাস

ধোঁয়ার ঘুর্ণি পার করে এসে, হাইবা্রনেশনে চলে যায় ঘুম
সুইট স্পটে পাঁচ পা রেখে
শুয়ে থাকে ম্যাশিন গান ।

-----------


নদীকে আমি আঘাত করেছি
কাদায় পা ডুবিয়ে ভাষাহীন ব্রিগেডের মিছিল

প্রতিশোধের কিছু কথা, লাইন চোরা বালুচর
ডাক্তারের জলে জল মিশিয়ে
রোগ
নিরাময় করে কবিরাজ ।

-----

ভোর হবার আগেই
তরল অন্ধকারগুলো জমে শিশির হয়ে যায়
একা একা দৌড়াতে দৌড়াতে , পা খাটো হয়ে আসে

ঘড়ির খুরে খুরে তখনো বেজে চলে খুট খাট
ফুটপাতে ভাঙ্গতে থাকে রাজপথ ।

------------





এক এক বার জল নেমে গেলে ,
কাদা...
দু একটা শাল বা মেহগনীর লগ ভেসে ওঠে,
দ্রুত বিলিয়ে যেতে থাকে রজনী-গন্ধা

নীল আরো নীলাভ কারো বুক
হাতে হাতে মেহেদি, ভুঁইচাপা গাঁদা

(ছিনাল)

                  জলবায়ু বিনিময় সেরে নেয় ।


---------------------

একটু একটু হলুদ হয়ে যেতে যেতে
দূরের বনস্পতি,
মুঠোর ভিতরে আলগা হয়ে যায়...

কিছুতেই সুর হয়ে ওঠে না সবুজ যৌবন
চুপিসাড়ে চুইয়ে চুইয়ে যায়

গামা রশ্মি ।

-----------------

যা আমি কোনদিন ছিলাম না,
যা আমি নই,
যে গন্তব্য আমার নয়
সেই পথ দিয়ে তবু হেঁটে এসেছি আমি
দু পায়ে হাত দিয়ে টের পাই
ধুলোতে আর পা নেই
মাটিতে আর মাটি নেই...

----------------------------------------------------

তৃষ্ণাকে দিয়েছি আমি লাল জোড়া ঠোট
মার্গারিঠার গন্ধে ময়ময় সার্ভিস রোড
হুটার্স গার্লদের আমি ডেকেছি এই পান সভায়

এখানে রাউন্ড রক, গোল হয়ে ঘুরে আসে
টেক্সাস,

এখানে আমি প্রাতরাশে
মাখনের উপর রেখেছি শানিত ছুরিকা ।

--------------------------------------------------


কিছু কিছু অব্যয় তবু ফ্লোরে উঠে চলে আসে
যে আসে, সে চলে যায় একদিন...
দিনগুলিও ফিরে যায়...ফিরে আসে না, বুঝেছ উপেন ?
অ্যাট্রিশন রেট !
দিনে দিনে বাজার দর বাড়তেই আছে
পিছনে হাত ধুয়ে পড়ে থাকে

প্রতিটা ফায়ারের পিছনে ঢুকে যায়
এক একটি হায়ায় ।

-----------------------------------


এবার বাস্তুভিটে , বাপ ঠাকুরদার জমি বিক্রয় করে দেওয়া যাক
ভেঙ্গে ফেলা যাক সুরক্ষা বলয়
একই অভিমুখের গতিবেগে নিজেদের ভরবেগ মেপে নেওয়া যাক
সেন্ট্রাফুগাল ফোর্স থেকে
বেরিয়ে সোজা বাজারের দিকে হেঁটে যাওয়া যাক...

------------------------------------


অফিস চত্তরে যাই, পাদানি তে ঘুরে একবার
আর একটি ঘর ঘিরে আসে
দিনে দিনে কপাট যার কাঠ

অন্ধকারে যাই
ভীত ভঙ্গুর মনে হলে
স্থবিরতা জাকড়ে ধরে নিরেট দেওয়াল
মনে হয় এই দিন সূর্যের রঙ সব চেয়ে লাল

এই রাত কবিতার মত সুহাসিনী
মাস শেষে ব্যাংকের এস এম এস
ডোমিনোজ

ওর হাতে কবিতা আছে

ওর হাতে কবিতা আছে, ওর হাতে কবিতা নাই
তাই
নদীর তট বরাবর চিরকাল দাড় টেনে এসে
মন খারাপ হয় বলে
মাঝ-দরিয়া বরাবর স্রোতের টান ঘনিভূত হয়ে আসে
কবিতা ভেসে যায়



ওর আছে, ওর নাই
তাই
নদীর তট বরাবর চিরকাল দাড় টেনে এসে
মন খারাপ হয় বলে
মাঝ-দরিয়া বরাবর স্রোত ঘনিভূত হয়ে আসে
কবিতা ভেসে যায় ।

ফির মুসা-ফির

ফির মুসা-ফির

তাকিয়ে থাকি,
কি করে ভাতের দলাটা নামতে নামতে,
গলা ধরে আসে, কিভাবে
সেলুলুজ গুলো ভেঙে হজম করে নেয়
আন্ত-প্রজাতির অস্তিত্বের সংগ্রাম ।

আমি তো,
বেশ কিছু দিন
পথেও নেমেছি
মুখ থুবড়ে মাথা গুঁজে মরা ইঁদুরের পড়ে থাকে পায়ে এই পথ
শুধু হাটতে গেলেই টেনে ধরে লেজ ও গলা
পুরানো দিনের মুর্শিদী,
গাং পারের ভাটিয়ালি,
দু-দাগ শর্সের তেল

জানি, এপথ ও যুদ্ধক্ষেত্রের দিকে চলে যাবে একদিন ...

কাকতলীয়

কাকতলীয় // পীযূষকান্তি বিশ্বাস
চোখ ফুটতেই এক কলি,
নরম সবুজ, মখমলে
আমার ঘাড়ে মাথায় কিছু কিছু গ্রানাইটে আটকে থাকে কিছু বিষন্নতা
এভাবে রৌদ্দুরগুলো আরো কঠিন হয়
আর আমাদের ভাতের থালায়, মাংস নিয়ে ছেলে খেলা করে
পরম মমতায় কিছু উদারনীতি
কিছুটা হরিহরণের সারেগামা, 
কিছুটা বিজয় সরকারের ভাটিয়ালি
এই দিয়ে সাজানো থাকে
উঠতি বয়সের শৈশবগুলো,
আমি চোখ খুলতে পারি না ।
আমার দেখা আকাশের চুম্বন
পাঁচতারা চায়ের চুমুক
কোনদিন কি এই রাস্তা হেঁটে যাবে না
তীল ক্ষেতে, ভেরেণ্ডার বাগানে ?
প্রান্তর জুড়ে আমাদের চকমকি চোখগুলো ডুবে থাকে
সবুজের নেশায়
এভাবেই বসে থাকি, আমি , হাঁড়ি মাথায় করে
আমাকে সিঁড়ি করে ঘুরতে থাকে অগুন্তি কাক,
একপায়ে দাড়িয়ে অ-দূরে লম্বা তাল গাছ,
তাল টা ঝুলতেই থাকে !

ল্যুপ

 ল্যুপ

ঘুরে ফিরে সেই লৌহ ইস্পাত
এক ফ্লোর
ফিরে আসে কাঠ 
টেবিলে, 
পশমের উপর বিছানো 
প্লাটিনাম রং
গৃহের মধ্য থেকে যায় কিছুটা বনজ সম্পদ
লালার মধ্য কিছু
বন্য লালসা !

এর মধ্য কিছু মহুয়ার পাতা মিশিয়ে দিলে
পিতলের হলুদ রং তরুণ হয়ে আসে

আধুনিক দৌড় ভাগে কিছুটা মিশে থাকে কার্বন
বর্শা ফলকে ল্যুপ হয়ে ঘুরে আসে 
তাম্র প্রস্তর যুগ । 






অমৃতকুম্ভ

অমৃতকুম্ভ

জল পার হতে হতে টুং টাং ঝর্ণাটি পাড়ি দিল টিলার ওপার
খাঁজে খাঁজে পা রেখে আঙুলের আদরে পেকে উঠছে রং
খুব গভীরে একবার ডুব দিয়ে দেখি
হারিয়েছে পথ,
হারিয়েছি বেবাক ঘর সংসার ।

পেছনে তরাই,
                   প্রতিটা প্রপাতে
পদচ্ছাপ মুছে ফেলে স্রোতের চিকন আঁচড়
হায়,
      বাটারফ্লাই...
প্রতিটা ব্রেস্ট স্ট্রোকের পর
ক্লান্ত সে এক প্রজাপতি ডানা

উৎস খুঁজতে এসে ফের একবার হারালো ঠিকানা ।

বিন্দুসমাহার

বিন্দুসমাহার // পীযূষকান্তি বিশ্বাস
উত্তল থেকে বিচ্ছুরণ
একটি একটি করে ফোটন কাছে চলে এলে
দৃশ্যটি এক ফার্লং দু ফার্লং দূরে সরে যায়
পিছনে বারুদ ফাটিয়ে
ছুটে চলে পিতলের কার্তুজ
এক দুটি শব্দ
একটু একটু করে কাছে সরে আসে মৃত্যুর রং,
টিপ টিপ ঝরে পড়ে বেলুনের ট্রাজেক্ট্ররী থেকে
সরাসরি দৃষ্টি...
এঁকে বেঁকে চলে যায় সার বাঁধা সান্ত্রী...
মাটিতে পথ পড়ে থাকে
পদচ্ছাপ পড়ে থাকে
এক ফুট
দু-ফুট
ডট ডট বিন্দু
তাদের হেলেদুলে চলা তারকাঁটার মত হেঁটে আসা
আন্তর্জাতিক সীমানা আঁকা হয়ে যায় ।


অস্তনির্জন


অস্তনির্জন

গালিবের গলি থেকে রাজধানী মুখ ফিরিয়ে নিলে
জীর্ন চাতালে হরিয়ালি নির্জন হয়ে আসে,
পায়ে পায়ে শুভ্রর সাথে সাথে
অস্ত আসে,
দু চোখের হলুদে আতর ভিজিয়ে
মুখটা নামিয়ে রাখে দরিয়াগঞ্জের মকবুরায়...
জ্যোৎস্নার সাথে জোনাকির ভীড়
রাত্রিবাসের আগে ধীর পায়ে এসে থেমে দাঁড়ায়
লো রাইড অশোক লি ল্যান্ড ।

আলোর রেশম ছিটকে এলে গ্রানাইটে
শেরশাহের স্থীর পাথুরে ঘোড়াগুলি রাজপথে জীবন্ত হয়ে ওঠে
ভীড় লক্ষ্য করে ,  ঝুম ঝুম ঘন্টা বেজে যায় ঘন্টা বেজে যায়
শহরের হলুদ প্রান্ত থেকে ওদিকের ধুসরে
রানার ছুটে যায়
জ্যোৎস্না থেকে আর একটু আতরের স্পর্শ অন্ধকারের দিকে
সাকির হাত থেকে ছিটকে পড়ে
সাজিদ প্লাস নাজিয়া বছরের পর বছর
জামা মসজিদের দেওয়ালে আটকে 
থ হয়ে থাকে ।

পাছে আর্জ হয়ে ছুটে আসে কিছু ব্লু লাইন ,
কখন যে নীব থেকে ছুটে বের হয় পায়ের উত্তপ্ত ঘাম
কখন যে যমুনা পার থেকে ওখলার অফিসে
কালো হয়ে আসে দিনের আগামী ব্যস্ততা !

তার আগে, এখন রাত্রি পান করে নেবে
অস্তগামী কবিতার পেয়ালা , শেয়ারী কুড়িয়ে নেবে কসমোপলিটন
তারপর,
তুঘকের সমাধী লক্ষ্য করে কোনাকুনি হেঁটে যাবে সঞ্জয়
দেওয়াল এঁটে তার আবার ডেস্কটপের সাথে দেখা হবে
বিং সার্চ ইঞ্জিনটা পালটিয়ে নেবে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ
হুমায়ুন টম্বের গম্বুজ নিয়ে চোখ তার ছুঁয়ে থাকবে স্থির
সুনতাইয়ের মুখের মতন ।

দিনলিপি

দিনলিপি // পীযূষকান্তি বিশ্বাস

ডায়েরীটা আলতো হাতে সরিয়ে রেখে
প্রতিদিন যুদ্ধক্ষেত্রে যাই
পৃষ্ঠা গুলো দুপায়ে মাড়িয়ে
পথ করে নিই;

প্রতিনিয়ত এ ভাবেই সকাল পুড়াই
রৌদ্রে রৌদ্রে দুপুরের বাষ্প কঠিন
ক্ষয়ে যেতে যতে
বাড়তে থাকে দিন !

দিন ঢলে যাবার আগে একবার
নিজেকে সৈনিকদের মাঝে খুঁজে পাই

হাত আপনা আপনি পায়ের দিয়ে চলে যায়
নিজেকে একটা প্রনাম সেরে নিই

তারপর সাঁঝবেলাতে আমার বেলা বেড়ে গেলে  
আমি আগাগোড়াই কাহারবা তে আরতি সেরে ফেলি,
পুরবীতে ডুবিয়ে দিই পা
উর্দিতে জমে থাকা
ঘামের জমাট গন্ধ
মুছে ফেলি মালকোষে !

এর পর আকাশ থেকে
নক্ষত্রদের রাজ্য থেকে সহস্র সাদা সাদা শিশু নক্ষত্রেরা
র‍্যাংক ও ফাইলের সজ্জায়
আমাদের ছাউনি গুলিতে নেমে আসে
কোন কোন হাভিলদার বা
ল্যান্স নায়েকের সাথে
তাঁবুতে তাঁবুতে ওরা টহলদারী করে ...

রাত্রের এই তরল ক্যাডবেরী অন্ধকারে
পাণ্ডুলিপি ঘেরাও করে সশস্ত্র ব্যাটেলিয়ন
ওল্ডমকে ডুব দেয় রামপাঞ্চ
বুকের উপর জেগে থাকে রাত  ।

এই সব নক্ষত্রদের কেউ বা হয়ত একজন
সুর্য হয়ে উঠবে কাল ;

ডায়েরীর খয়েরী পাতাগুলোর ফাঁকে
ঘুমিয়ে পড়ি আমি
আর একটি  প্রভাতের অপেক্ষায় ।