আহ্নিক গতি
সন্ধ্যা কিছুটা গাঢ়তর হলে বুঝি
চাঁদ সহ পৃথিবীটা
পৃথিবীর থেকে আরো দূরে সরে যায় !
ভোরে ফিরে যাবার যে তাড়নার,
যে মোচড়, মেরুদন্ডে তার গচ্ছিত রয়েছে
তার এক গতিবেগ এই প্রতিনয়ত আমাদের সংসারকে চলমান রেখেছে
তার হেঁটে আসা,
তার স্যান্ডেলের শব্দ ধুলোর সাথে সাথে গুড়িয়ে যাবার আগে আমি শুনেছি
শন শন এক অতিবাস্তব গতিময় শব্দ
বাবা এরকম বাজার করে হেঁটে আসতেন কালীগঞ্জের হাট থেকে ।
বাবার হাঁটার মধ্যের কি কোন আহ্নিকগতির চিহ্ন পাওয়া যায় ?
যেটুকু জানি, বাবা আহ্নিক করতেন , লালনের গানে তার ছিল অগাধ বিশ্বাস
বাবা, আট কুঠরীর নয় দরজায় এক দ্বারীর মত
গুনে গুনে দেখতেন কতবার পাখিটি খাঁচার ভিতর ও বাহির করে...
মায়ের কোলে শুয়ে আমি শুনতাম তার গলা
পারে লয়ে যাও আমায় ।
আমার শোনার , না শোনার কোন স্থির মূহুর্ত কোথাও নথিভূক্ত নেই
নথিভুক্ত থাকে না কারো রক্তে গ্লুকোজের আগমন
কি ভাবে শক্তি কে ইচ্ছাতে রুপান্তরিত করে
ইচ্ছা হয়ে তবু কিছু ভোরের কথা রাত্রির গভীর বুকে সুপ্ত হয়ে থাকে
যে ভাবে ভোর আসে,
আর যেহেতু আসবেই
তারা নিজের মেরুদন্ডের উপর প্রতিটা ঘুর্ণনের পর জানিয়ে দেয়
প্রতিটা ইচ্ছাই প্রতিবার দিন হয় না
আমার মা সেটা বুঝেছিলো এটা আমাদের দিন না,
যে ভাবে ঋজুর মা জেনেছে প্রতিরাতে স্বামীকে কাছে পাওয়া যায় না
তবু, আমি, আমার ছেলে ঋজু ও তার মা একবার দেখে নিলাম দীঘার মোহনা,
সমুদ্রে সূর্যোদয়
আরো যা কিছু বিশেষ দর্শনীয়
আর আহ্নিক গতির কথা লিখে রেখে গেলাম
ঋজুও কি এই গতিবেগে হিসসা নেবে ? রাত্রের আকাশ জুড়ে অনেক ঋজুদের আমি
তাদের কেউ বা আমি , কিংবা আমাদের মধ্য কেউ কেউ আমাদের বাবা,
বাবা হেঁটে আসছে হাট শেষে বহিরগাছির বাজার থেকে
বাবা হেঁটে চলে গেলো আড়ংঘাটার ধান-হাটার দিকে
বীজের পরিপক্কতার জন্য আমাদের হেঁটে যেতে হবে অনেক বাজার !
সন্ধ্যা কিছুটা গাঢ়তর হলে বুঝি
চাঁদ সহ পৃথিবীটা
পৃথিবীর থেকে আরো দূরে সরে যায় !
ভোরে ফিরে যাবার যে তাড়নার,
যে মোচড়, মেরুদন্ডে তার গচ্ছিত রয়েছে
তার এক গতিবেগ এই প্রতিনয়ত আমাদের সংসারকে চলমান রেখেছে
তার হেঁটে আসা,
তার স্যান্ডেলের শব্দ ধুলোর সাথে সাথে গুড়িয়ে যাবার আগে আমি শুনেছি
শন শন এক অতিবাস্তব গতিময় শব্দ
বাবা এরকম বাজার করে হেঁটে আসতেন কালীগঞ্জের হাট থেকে ।
বাবার হাঁটার মধ্যের কি কোন আহ্নিকগতির চিহ্ন পাওয়া যায় ?
যেটুকু জানি, বাবা আহ্নিক করতেন , লালনের গানে তার ছিল অগাধ বিশ্বাস
বাবা, আট কুঠরীর নয় দরজায় এক দ্বারীর মত
গুনে গুনে দেখতেন কতবার পাখিটি খাঁচার ভিতর ও বাহির করে...
মায়ের কোলে শুয়ে আমি শুনতাম তার গলা
পারে লয়ে যাও আমায় ।
আমার শোনার , না শোনার কোন স্থির মূহুর্ত কোথাও নথিভূক্ত নেই
নথিভুক্ত থাকে না কারো রক্তে গ্লুকোজের আগমন
কি ভাবে শক্তি কে ইচ্ছাতে রুপান্তরিত করে
ইচ্ছা হয়ে তবু কিছু ভোরের কথা রাত্রির গভীর বুকে সুপ্ত হয়ে থাকে
যে ভাবে ভোর আসে,
আর যেহেতু আসবেই
তারা নিজের মেরুদন্ডের উপর প্রতিটা ঘুর্ণনের পর জানিয়ে দেয়
প্রতিটা ইচ্ছাই প্রতিবার দিন হয় না
আমার মা সেটা বুঝেছিলো এটা আমাদের দিন না,
যে ভাবে ঋজুর মা জেনেছে প্রতিরাতে স্বামীকে কাছে পাওয়া যায় না
তবু, আমি, আমার ছেলে ঋজু ও তার মা একবার দেখে নিলাম দীঘার মোহনা,
সমুদ্রে সূর্যোদয়
আরো যা কিছু বিশেষ দর্শনীয়
আর আহ্নিক গতির কথা লিখে রেখে গেলাম
ঋজুও কি এই গতিবেগে হিসসা নেবে ? রাত্রের আকাশ জুড়ে অনেক ঋজুদের আমি
তাদের কেউ বা আমি , কিংবা আমাদের মধ্য কেউ কেউ আমাদের বাবা,
বাবা হেঁটে আসছে হাট শেষে বহিরগাছির বাজার থেকে
বাবা হেঁটে চলে গেলো আড়ংঘাটার ধান-হাটার দিকে
বীজের পরিপক্কতার জন্য আমাদের হেঁটে যেতে হবে অনেক বাজার !
No comments:
Post a Comment