অবতার -> kobita porobase
সে ভাবে খুঁজে দেখিনি চুলচেরা হিসেব নিকেষ,
যারা বলছিলো বিখ্যাত হয়ে যাবার কথা,
ব্যর্থতার অনেক কারণকে কার্পেটের নিচে ঢেকে
কালজয়ের উল্লাসগুলো কে মাল্টিপ্লাই করছিলো,
বিচ্ছিন্নভাবে ছিটানো ঘটনার এই ঘনঘটার বিশ্লেষন কে জিপ করতে গিয়ে
ওদের কথাগুলির শূন্য এবং এক কে আমি দেওয়ালে আটকে আটকে
স্পার্স ম্যাট্রিক্স বানাচ্ছি
আর অনেক শিল্পীদের মুখগুলোকে অ্যানিমিট করে বানাচ্ছি
এক একটা অবতার !
আর
দেখে নিচ্ছি এক একটি কেঁচো কতদিন মাটির নিচে থেকে
নিজের খাদ্য নিজে থেকে উৎপাদন করে,
যে ভাবে বেঁচে থাকে সূর্যরশ্মি মেখে নিয়ে উড়ন্ত সসার
তারপর একদিন লোড টেস্ট হবে,
বাঁচার অভিনব সংগ্রাম থেকে ছেঁকে আসা কাহিনীগুলো,
প্যান্ডোরার প্রতিটা জৈবিক কোষে কোষে আপলোড হয়ে যাবে ।
এবার তুমি বলো, গ্রে ম্যাটারে প্রিন্ট করতে হলে
এই কালস্রোতে কি ভাবে বহিয়ে যেতে চাও রক্ত আর ঘাম
কি ভাবে স্যাম্পলিং করবে এক একটা রাতের ইতিহাস ,
কি ভাবে বালির পর বালি রেখে মহাদেশের কাহিনীকে দেবে সত্যতার পরিকাঠামো ?
নাকি যোগ্যতমের উদবর্তনে
গলা বাড়িয়ে নেবে উল্লম্ব দীর্ঘকায় গাছেদের মত ?
র্যন্ডম আক্সেস থেকে এটুকু শিখেছি
কিছুটা স্মৃতি উদ্বায়ী হয়
র্যাকে রাখা লাইব্রেরীর বইগুলি কালে কালে হলুদ হয়ে আসে,
তারপর পান্ডুলিপিগুলি প্রস্তরীভুত হলে কিছুটা লবন কেলাসিত হয়
শিল্পের ও পুনর্জন্ম হয়
অথচ, তুমি বলছ , ক্যানভাসে সেই সব লিও নার্দো দা ভিঞ্চির
ব্রাসের আঁচড়গুলোর সোর্স কোডের কথা ,
ক্লাউডে তুলে রাখছিলো কবিতার কথা ।
কিছু এমন কথা যা লিখিত হচ্ছে না,
অনেক লাইনগুলোর মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শব্দাবলী,
ভাষা থেকে আলাদা
অনেক একাদের মাঝে আরো কিছু লাইন একা,
অনেক ডটের মাঝে এই একাকী লাইনগুলো স্ট্যাটিক হয়ে থাকে,
কিছু তাদের জড়ো হয়ে জড় হয়ে থাকে ,
কিছু তাঁরা জীবন্ত হয়ে
কিছু তাঁদের মৃত
কিন্তু জীবন থেকে তাদের একাকীত্বকে আলাদা করা যায় না ।
কি আছে তাঁদের ভিতর ?
যারা এক থেকে শূন্য কে আলাদা করে নেয় ?
তারপর তারা জড়ো অবস্থান থেকে
জীবন্ত কবিতায় প্রতিসারিত হয়ে যায় ?
এই সব শব্দের আকাশে আমি ডানা পেতে রাখি, সজাগ রাখি তর্জনী
পিঠে শূন্য বসাতে বসাতে আমি পেরিয়ে যেতে পারি অনেক সংখ্যা
আর যেহেতু শূন্য হয়ে যেতে পারে সমস্ত আয়োজন
যদি তার একটা এক না থাকে,
যদি তার এক বীজ না থাকে
তার যদি একটা রুট না থাকে
তোমাকে তবে আমি ঠিক বোঝাতে পারিনি যে কি টানে মাটি থেকে উঠে আসে জল
গাছের উপর মগডাল থেকে আর একটি ডালে
ঝাঁপ দিতে গেলে বুকের উপর কিভাবে
অনেকগুন শূন্য নেমে আসে !
জানি, এই সব মাটি জল টানের কথা
কোন কোন প্রেমিকের ত্বকের নীচে উল্কি হয়ে থাকে,
জানি
হাতের তালুতে রেখে কলম রগড়ালে কালি ছলকে ওঠে
কতটা জ্বলে গেলে ত্বক
জ্বালানির বিষন্ন দেহে ঘিরে আসে মায়া, আর
কতটা কান্না শুকিয়ে গেলে মাতামহী ছবি স্থির হয়ে যায়
জানি, এ কাল পেরিয়ে গেলে
প্রেম অন্ধ হয়ে যাবে,
চোখ অন্ধ হয়ে যাবে
অন্ধ হয়ে যাবে কবিদের চোখ তাই
কবি হতে চেয়ে আমি পূর্ণ যুবতীকে আমি পর্ণ করে তুলি
গেরুয়া কবির জঙ্ঘাতে এঁকে দিই শহস্র তর্জনী
ফেটিস , সন্তানসম্ভাবা, চিয়ার লিডারকে কায়েম চুর্ণ করে ল্যাপটপে বন্ধ করে রাখি
এভাবেই বন্ধ থাক অন্ধকার !
বীজগুলি শুপ্ত থাক !
খনিজের অবস্থান থেকে ওয়ালপেপারে উঠে এলে
প্রিয়তমার থুথু থেকে চুমু আলদা হবে একদিন
আমার শুক্রাশয় থেকে নতুন অবতার ডাউনলোড হবে
ঠোটের কাছাকাছি তোমার উপস্তিতিকে তাই আমার
কৃষ্ণ-গহ্বর থেকে সময়ের উঠে আসা সময়ের পুনর্জন্মের কথা মনে পড়ে
আমাকে
অনেক ঘরমুখী শিকড়ের কথা মনে পড়ে ।
সে ভাবে খুঁজে দেখিনি চুলচেরা হিসেব নিকেষ,
যারা বলছিলো বিখ্যাত হয়ে যাবার কথা,
ব্যর্থতার অনেক কারণকে কার্পেটের নিচে ঢেকে
কালজয়ের উল্লাসগুলো কে মাল্টিপ্লাই করছিলো,
বিচ্ছিন্নভাবে ছিটানো ঘটনার এই ঘনঘটার বিশ্লেষন কে জিপ করতে গিয়ে
ওদের কথাগুলির শূন্য এবং এক কে আমি দেওয়ালে আটকে আটকে
স্পার্স ম্যাট্রিক্স বানাচ্ছি
আর অনেক শিল্পীদের মুখগুলোকে অ্যানিমিট করে বানাচ্ছি
এক একটা অবতার !
আর
দেখে নিচ্ছি এক একটি কেঁচো কতদিন মাটির নিচে থেকে
নিজের খাদ্য নিজে থেকে উৎপাদন করে,
যে ভাবে বেঁচে থাকে সূর্যরশ্মি মেখে নিয়ে উড়ন্ত সসার
তারপর একদিন লোড টেস্ট হবে,
বাঁচার অভিনব সংগ্রাম থেকে ছেঁকে আসা কাহিনীগুলো,
প্যান্ডোরার প্রতিটা জৈবিক কোষে কোষে আপলোড হয়ে যাবে ।
এবার তুমি বলো, গ্রে ম্যাটারে প্রিন্ট করতে হলে
এই কালস্রোতে কি ভাবে বহিয়ে যেতে চাও রক্ত আর ঘাম
কি ভাবে স্যাম্পলিং করবে এক একটা রাতের ইতিহাস ,
কি ভাবে বালির পর বালি রেখে মহাদেশের কাহিনীকে দেবে সত্যতার পরিকাঠামো ?
নাকি যোগ্যতমের উদবর্তনে
গলা বাড়িয়ে নেবে উল্লম্ব দীর্ঘকায় গাছেদের মত ?
র্যন্ডম আক্সেস থেকে এটুকু শিখেছি
কিছুটা স্মৃতি উদ্বায়ী হয়
র্যাকে রাখা লাইব্রেরীর বইগুলি কালে কালে হলুদ হয়ে আসে,
তারপর পান্ডুলিপিগুলি প্রস্তরীভুত হলে কিছুটা লবন কেলাসিত হয়
শিল্পের ও পুনর্জন্ম হয়
অথচ, তুমি বলছ , ক্যানভাসে সেই সব লিও নার্দো দা ভিঞ্চির
ব্রাসের আঁচড়গুলোর সোর্স কোডের কথা ,
ক্লাউডে তুলে রাখছিলো কবিতার কথা ।
কিছু এমন কথা যা লিখিত হচ্ছে না,
অনেক লাইনগুলোর মাঝে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা শব্দাবলী,
ভাষা থেকে আলাদা
অনেক একাদের মাঝে আরো কিছু লাইন একা,
অনেক ডটের মাঝে এই একাকী লাইনগুলো স্ট্যাটিক হয়ে থাকে,
কিছু তাদের জড়ো হয়ে জড় হয়ে থাকে ,
কিছু তাঁরা জীবন্ত হয়ে
কিছু তাঁদের মৃত
কিন্তু জীবন থেকে তাদের একাকীত্বকে আলাদা করা যায় না ।
কি আছে তাঁদের ভিতর ?
যারা এক থেকে শূন্য কে আলাদা করে নেয় ?
তারপর তারা জড়ো অবস্থান থেকে
জীবন্ত কবিতায় প্রতিসারিত হয়ে যায় ?
এই সব শব্দের আকাশে আমি ডানা পেতে রাখি, সজাগ রাখি তর্জনী
পিঠে শূন্য বসাতে বসাতে আমি পেরিয়ে যেতে পারি অনেক সংখ্যা
আর যেহেতু শূন্য হয়ে যেতে পারে সমস্ত আয়োজন
যদি তার একটা এক না থাকে,
যদি তার এক বীজ না থাকে
তার যদি একটা রুট না থাকে
তোমাকে তবে আমি ঠিক বোঝাতে পারিনি যে কি টানে মাটি থেকে উঠে আসে জল
গাছের উপর মগডাল থেকে আর একটি ডালে
ঝাঁপ দিতে গেলে বুকের উপর কিভাবে
অনেকগুন শূন্য নেমে আসে !
জানি, এই সব মাটি জল টানের কথা
কোন কোন প্রেমিকের ত্বকের নীচে উল্কি হয়ে থাকে,
জানি
হাতের তালুতে রেখে কলম রগড়ালে কালি ছলকে ওঠে
কতটা জ্বলে গেলে ত্বক
জ্বালানির বিষন্ন দেহে ঘিরে আসে মায়া, আর
কতটা কান্না শুকিয়ে গেলে মাতামহী ছবি স্থির হয়ে যায়
জানি, এ কাল পেরিয়ে গেলে
প্রেম অন্ধ হয়ে যাবে,
চোখ অন্ধ হয়ে যাবে
অন্ধ হয়ে যাবে কবিদের চোখ তাই
কবি হতে চেয়ে আমি পূর্ণ যুবতীকে আমি পর্ণ করে তুলি
গেরুয়া কবির জঙ্ঘাতে এঁকে দিই শহস্র তর্জনী
ফেটিস , সন্তানসম্ভাবা, চিয়ার লিডারকে কায়েম চুর্ণ করে ল্যাপটপে বন্ধ করে রাখি
এভাবেই বন্ধ থাক অন্ধকার !
বীজগুলি শুপ্ত থাক !
খনিজের অবস্থান থেকে ওয়ালপেপারে উঠে এলে
প্রিয়তমার থুথু থেকে চুমু আলদা হবে একদিন
আমার শুক্রাশয় থেকে নতুন অবতার ডাউনলোড হবে
ঠোটের কাছাকাছি তোমার উপস্তিতিকে তাই আমার
কৃষ্ণ-গহ্বর থেকে সময়ের উঠে আসা সময়ের পুনর্জন্মের কথা মনে পড়ে
আমাকে
অনেক ঘরমুখী শিকড়ের কথা মনে পড়ে ।
No comments:
Post a Comment