Friday, May 29, 2015

অস্তে যাবার আগের নির্জনতা

অস্তে যাবার আগের নির্জনতা

অতপরঃ
রৌদ্রের মধ্যে দিয়ে আমি একটা সমান্তরাল কাঁচি চালিয়ে দিলাম
লাল দিনগুলো কে পিছনে ফেলে
অতি-বেগুনী রশ্মিগুলি বর্তমানকে প্রতিসারিত করে এগিয়ে গেলো,
এতে আমাদের পেটের খিদেকে পর্যায়ক্রমে করে আরো কঠিন করে তুলল,
আর খিদেকে ভূমি করে
পয়তাল্লিশ ডিগ্রিতে আকাশকে ছুঁতে চেয়ে
আকাশে দুই পা ঝুলিয়ে দিয়ে  আমি লম্ব বানালাম...

তোমার গৃহপ্রবেশে দু-থালা  ব্যঞ্জনা
ডাইনিং টেবিলে পড়ে থাকা চিকেনের ঠ্যাং নিয়ে কামড়ের অপেক্ষায়
সেক্টর একশবিশ, ইস্টার্ন বাই পাস,
এই আনন্দজজ্ঞের নিমন্ত্রনে আমার গলা অস্বাভাবিক ভাবে বাড়ন্ত !

কৈশর পার হয়ে যাওয়া উজালা দুপুর, আরেকটি বিকালের ইশারা
শহরের বেসমেন্ট জুড়ে একটা ছোট্ট ঝটকা
গ্রাম থেকে উঠে আসা সেন্টিমিটার
আমি মাপতে থাকি কত লম্বা এই পথ
রুটির বিপন্নতাকে দাঁতে চেপে আমি একটা সম্পর্ক অনুভব করি
হাতের ছাপের ভিতর আরো ঢুকে আসে হাত তবু বুঝি
তোমার আমার মাঝে বিস্তর ব্যবধান ।

এইসব খুঁটির কথা  ইঁটের উত্তাল বুকে খোদাই করা আছে
যদিও ভাঁটার দাউদাউ আগুনের আর্তি বিপননের সমস্যাকে
কোন ভাবেই বানিজ্যক করে তোলেনা

তবুও তুমি
মাটি কেটে  যে কুমার ঘরে এনেছ,
তার অন্ত্রের জ্বালানী থেকে রামধনু রং বিখরে গেলে
পায়ে এক অদ্ভুত ভরবেগ অনুভুত হয়
বাঁশী কেটে ভীম-পলাশী ছিঁড়ে গেলে
বিকেলের অমোঘ শূন্যতায় পাতাদের মৃত্যু ঘিরে আসে

তুমি তবু পাতার পর পাতা জুড়ে
ষোড়শীর প্রাণস্পন্দন লিখে গেছ
বুকের ওড়না হয়ে চাঁদ হতে চেয়েছ
আর আমি
সূর্যের পাই কেটে বানাতে চেয়েছি পিজ্জা রঙের চাঁদ...
একটা নীল ডোমিনোজ কাগজের মোড়কে !!

No comments:

Post a Comment