অস্তনির্জন
গালিবের গলি থেকে রাজধানী মুখ ফিরিয়ে নিলে
জীর্ন চাতালে হরিয়ালি নির্জন হয়ে আসে,
পায়ে পায়ে শুভ্রর সাথে সাথে
অস্ত আসে,
দু চোখের হলুদে আতর ভিজিয়ে
মুখটা নামিয়ে রাখে দরিয়াগঞ্জের মকবুরায়...
জ্যোৎস্নার সাথে জোনাকির ভীড়
রাত্রিবাসের আগে ধীর পায়ে এসে থেমে দাঁড়ায়
লো রাইড অশোক লি ল্যান্ড ।
আলোর রেশম ছিটকে এলে গ্রানাইটে
শেরশাহের স্থীর পাথুরে ঘোড়াগুলি রাজপথে জীবন্ত হয়ে ওঠে
ভীড় লক্ষ্য করে , ঝুম ঝুম ঘন্টা বেজে যায় ঘন্টা বেজে যায়
শহরের হলুদ প্রান্ত থেকে ওদিকের ধুসরে
রানার ছুটে যায়
জ্যোৎস্না থেকে আর একটু আতরের স্পর্শ অন্ধকারের দিকে
সাকির হাত থেকে ছিটকে পড়ে
সাজিদ প্লাস নাজিয়া বছরের পর বছর
জামা মসজিদের দেওয়ালে আটকে
থ হয়ে থাকে ।
পাছে আর্জ হয়ে ছুটে আসে কিছু ব্লু লাইন ,
কখন যে নীব থেকে ছুটে বের হয় পায়ের উত্তপ্ত ঘাম
কখন যে যমুনা পার থেকে ওখলার অফিসে
কালো হয়ে আসে দিনের আগামী ব্যস্ততা !
তার আগে, এখন রাত্রি পান করে নেবে
অস্তগামী কবিতার পেয়ালা , শেয়ারী কুড়িয়ে নেবে কসমোপলিটন
তারপর,
তুঘকের সমাধী লক্ষ্য করে কোনাকুনি হেঁটে যাবে সঞ্জয়
দেওয়াল এঁটে তার আবার ডেস্কটপের সাথে দেখা হবে
বিং সার্চ ইঞ্জিনটা পালটিয়ে নেবে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ
হুমায়ুন টম্বের গম্বুজ নিয়ে চোখ তার ছুঁয়ে থাকবে স্থির
সুনতাইয়ের মুখের মতন ।
No comments:
Post a Comment