একটা কথার মালা, কয়েকটা সুতোর গুণিতক
কখনো আধফোটা আলোর থেকে উল ছিনিয়ে নিয়ে
শীতের শোয়েটার
আর একটা চাদরে ঢুকে বেশ তো জেগে আছি পর্দায়
দেওয়ালে মাল্টিপ্লেক্স
গুনভাগ করে চলেছি অনেক রশ্মি...
একটা দেহ রেখে
অন্ধকার ছেড়ে যাচ্ছি,
অচানক বরফ হয়ে যাচ্ছি
-------------
বুকে ঘন ভারী অক্সিজেন,
যুদ্ধক্ষেত্র ফেরা কার্বন
দিন শেষে ফিরে আসে সন্ধ্যার বাতাস
ধোঁয়ার ঘুর্ণি পার করে এসে, হাইবা্রনেশনে চলে যায় ঘুম
সুইট স্পটে পাঁচ পা রেখে
শুয়ে থাকে ম্যাশিন গান ।
-----------
নদীকে আমি আঘাত করেছি
কাদায় পা ডুবিয়ে ভাষাহীন ব্রিগেডের মিছিল
প্রতিশোধের কিছু কথা, লাইন চোরা বালুচর
ডাক্তারের জলে জল মিশিয়ে
রোগ
নিরাময় করে কবিরাজ ।
-----
ভোর হবার আগেই
তরল অন্ধকারগুলো জমে শিশির হয়ে যায়
একা একা দৌড়াতে দৌড়াতে , পা খাটো হয়ে আসে
ঘড়ির খুরে খুরে তখনো বেজে চলে খুট খাট
ফুটপাতে ভাঙ্গতে থাকে রাজপথ ।
------------
এক এক বার জল নেমে গেলে ,
কাদা...
দু একটা শাল বা মেহগনীর লগ ভেসে ওঠে,
দ্রুত বিলিয়ে যেতে থাকে রজনী-গন্ধা
নীল আরো নীলাভ কারো বুক
হাতে হাতে মেহেদি, ভুঁইচাপা গাঁদা
(ছিনাল)
জলবায়ু বিনিময় সেরে নেয় ।
---------------------
একটু একটু হলুদ হয়ে যেতে যেতে
দূরের বনস্পতি,
মুঠোর ভিতরে আলগা হয়ে যায়...
কিছুতেই সুর হয়ে ওঠে না সবুজ যৌবন
চুপিসাড়ে চুইয়ে চুইয়ে যায়
গামা রশ্মি ।
-----------------
যা আমি কোনদিন ছিলাম না,
যা আমি নই,
যে গন্তব্য আমার নয়
সেই পথ দিয়ে তবু হেঁটে এসেছি আমি
দু পায়ে হাত দিয়ে টের পাই
ধুলোতে আর পা নেই
মাটিতে আর মাটি নেই...
----------------------------------------------------
তৃষ্ণাকে দিয়েছি আমি লাল জোড়া ঠোট
মার্গারিঠার গন্ধে ময়ময় সার্ভিস রোড
হুটার্স গার্লদের আমি ডেকেছি এই পান সভায়
এখানে রাউন্ড রক, গোল হয়ে ঘুরে আসে
টেক্সাস,
এখানে আমি প্রাতরাশে
মাখনের উপর রেখেছি শানিত ছুরিকা ।
--------------------------------------------------
কিছু কিছু অব্যয় তবু ফ্লোরে উঠে চলে আসে
যে আসে, সে চলে যায় একদিন...
দিনগুলিও ফিরে যায়...ফিরে আসে না, বুঝেছ উপেন ?
অ্যাট্রিশন রেট !
দিনে দিনে বাজার দর বাড়তেই আছে
পিছনে হাত ধুয়ে পড়ে থাকে
প্রতিটা ফায়ারের পিছনে ঢুকে যায়
এক একটি হায়ায় ।
-----------------------------------
এবার বাস্তুভিটে , বাপ ঠাকুরদার জমি বিক্রয় করে দেওয়া যাক
ভেঙ্গে ফেলা যাক সুরক্ষা বলয়
একই অভিমুখের গতিবেগে নিজেদের ভরবেগ মেপে নেওয়া যাক
সেন্ট্রাফুগাল ফোর্স থেকে
বেরিয়ে সোজা বাজারের দিকে হেঁটে যাওয়া যাক...
------------------------------------
অফিস চত্তরে যাই, পাদানি তে ঘুরে একবার
আর একটি ঘর ঘিরে আসে
দিনে দিনে কপাট যার কাঠ
অন্ধকারে যাই
ভীত ভঙ্গুর মনে হলে
স্থবিরতা জাকড়ে ধরে নিরেট দেওয়াল
মনে হয় এই দিন সূর্যের রঙ সব চেয়ে লাল
এই রাত কবিতার মত সুহাসিনী
মাস শেষে ব্যাংকের এস এম এস
ডোমিনোজ
কখনো আধফোটা আলোর থেকে উল ছিনিয়ে নিয়ে
শীতের শোয়েটার
আর একটা চাদরে ঢুকে বেশ তো জেগে আছি পর্দায়
দেওয়ালে মাল্টিপ্লেক্স
গুনভাগ করে চলেছি অনেক রশ্মি...
একটা দেহ রেখে
অন্ধকার ছেড়ে যাচ্ছি,
অচানক বরফ হয়ে যাচ্ছি
-------------
বুকে ঘন ভারী অক্সিজেন,
যুদ্ধক্ষেত্র ফেরা কার্বন
দিন শেষে ফিরে আসে সন্ধ্যার বাতাস
ধোঁয়ার ঘুর্ণি পার করে এসে, হাইবা্রনেশনে চলে যায় ঘুম
সুইট স্পটে পাঁচ পা রেখে
শুয়ে থাকে ম্যাশিন গান ।
-----------
নদীকে আমি আঘাত করেছি
কাদায় পা ডুবিয়ে ভাষাহীন ব্রিগেডের মিছিল
প্রতিশোধের কিছু কথা, লাইন চোরা বালুচর
ডাক্তারের জলে জল মিশিয়ে
রোগ
নিরাময় করে কবিরাজ ।
-----
ভোর হবার আগেই
তরল অন্ধকারগুলো জমে শিশির হয়ে যায়
একা একা দৌড়াতে দৌড়াতে , পা খাটো হয়ে আসে
ঘড়ির খুরে খুরে তখনো বেজে চলে খুট খাট
ফুটপাতে ভাঙ্গতে থাকে রাজপথ ।
------------
এক এক বার জল নেমে গেলে ,
কাদা...
দু একটা শাল বা মেহগনীর লগ ভেসে ওঠে,
দ্রুত বিলিয়ে যেতে থাকে রজনী-গন্ধা
নীল আরো নীলাভ কারো বুক
হাতে হাতে মেহেদি, ভুঁইচাপা গাঁদা
(ছিনাল)
জলবায়ু বিনিময় সেরে নেয় ।
---------------------
একটু একটু হলুদ হয়ে যেতে যেতে
দূরের বনস্পতি,
মুঠোর ভিতরে আলগা হয়ে যায়...
কিছুতেই সুর হয়ে ওঠে না সবুজ যৌবন
চুপিসাড়ে চুইয়ে চুইয়ে যায়
গামা রশ্মি ।
-----------------
যা আমি কোনদিন ছিলাম না,
যা আমি নই,
যে গন্তব্য আমার নয়
সেই পথ দিয়ে তবু হেঁটে এসেছি আমি
দু পায়ে হাত দিয়ে টের পাই
ধুলোতে আর পা নেই
মাটিতে আর মাটি নেই...
----------------------------------------------------
তৃষ্ণাকে দিয়েছি আমি লাল জোড়া ঠোট
মার্গারিঠার গন্ধে ময়ময় সার্ভিস রোড
হুটার্স গার্লদের আমি ডেকেছি এই পান সভায়
এখানে রাউন্ড রক, গোল হয়ে ঘুরে আসে
টেক্সাস,
এখানে আমি প্রাতরাশে
মাখনের উপর রেখেছি শানিত ছুরিকা ।
--------------------------------------------------
কিছু কিছু অব্যয় তবু ফ্লোরে উঠে চলে আসে
যে আসে, সে চলে যায় একদিন...
দিনগুলিও ফিরে যায়...ফিরে আসে না, বুঝেছ উপেন ?
অ্যাট্রিশন রেট !
দিনে দিনে বাজার দর বাড়তেই আছে
পিছনে হাত ধুয়ে পড়ে থাকে
প্রতিটা ফায়ারের পিছনে ঢুকে যায়
এক একটি হায়ায় ।
-----------------------------------
এবার বাস্তুভিটে , বাপ ঠাকুরদার জমি বিক্রয় করে দেওয়া যাক
ভেঙ্গে ফেলা যাক সুরক্ষা বলয়
একই অভিমুখের গতিবেগে নিজেদের ভরবেগ মেপে নেওয়া যাক
সেন্ট্রাফুগাল ফোর্স থেকে
বেরিয়ে সোজা বাজারের দিকে হেঁটে যাওয়া যাক...
------------------------------------
অফিস চত্তরে যাই, পাদানি তে ঘুরে একবার
আর একটি ঘর ঘিরে আসে
দিনে দিনে কপাট যার কাঠ
অন্ধকারে যাই
ভীত ভঙ্গুর মনে হলে
স্থবিরতা জাকড়ে ধরে নিরেট দেওয়াল
মনে হয় এই দিন সূর্যের রঙ সব চেয়ে লাল
এই রাত কবিতার মত সুহাসিনী
মাস শেষে ব্যাংকের এস এম এস
ডোমিনোজ
No comments:
Post a Comment